Header Ads

প্রধানমন্ত্রীও নাইকো মামলায় আসামি ছিলেন, তাকেও হাজির করা হোক



আদালতে বেগম খালেদা জিয়া : 
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আদালতে বলেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও (শেখ হাসিনা) নাইকো দুর্নীতি মামলায় আসামি ছিলেন, তাহলে তিনি কোথায়? তাকেও এখানে হাজির করা উচিত। আমি যদি আদালতে আসতে পারি তাহলে তাকেও হাজির করা হোক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা বেগম খালেদা জিয়াকে গতকাল বৃহস্পতিবার নাইকো মামলায় রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডে পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৯-এ হাজির করা হলে শুনানির একপর্যায়ে তিনি এ কথা বলেন।
বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আদালতে শুধু আমি একা কেন? নাইকো দুর্নীতির ঘটনায় ওনার নামে (বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) তো একটা মামলা হয়েছে। কাউকে সেভ করবেন আর কাউকে বলি দেবেন এটি ঠিক না। ন্যায়বিচারের জন্য ওনাকে আদালতে হাজির করা হোক। তিনি বলেন, আমি শুধু পূর্ববর্তী সরকারের ধারাবাহিকতা রায় (নাইকো) চুক্তিতে স্বার করি। তাহলে শুধু আমার একার বিচার হচ্ছে কেন? শেখ হাসিনার বিচার কেন হচ্ছে না? উনাকে কেন আদালতে আনা হচ্ছে না।
জবাবে আদালত বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মামলার অংশ নন। কাজেই তাকে এখানে আনার প্রশ্ন উঠছে না।
খালেদা জিয়াকে আদালতে আনা হয় বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে। দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট আদালতে হুইল চেয়ারে বসেছিলেন তিনি। একটি সাদা বালিশে ঠেস দিয়ে বসেছিলেন তিনি। হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি পরিহিত খালেদা জিয়ার শরীর একটি সাদা চাদরে ঢাকা ছিল। খালেদা জিয়ার মুখ ও শরীর কাঁপছিল। বেশির ভাগ সময় ছিলেন চোখ বুজে। এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও গৃহকর্মী ফাতেমা একটু পর পর খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ও কোনো সমস্যা আছে কি-না জানতে চাচ্ছিলেন। খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে শুনানি মুলতবি ও চালিয়ে যাওয়া নিয়ে মওদুদ আহমদ এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বার বার তর্কে জড়ান।
আমি অসুস্থ, বসে থাকতে পারছি না : শুনানির একপর্যায়ে আদালতের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, আমি অসুস্থ। বসে থাকতে পারছি না। পরে তার আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৪ নভেম্বর (বুধবার) পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন বিচারক। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া শুনানি করেন। সাথে ছিলেন আইনজীবী মো: আখতারুজ্জামান। এই দুই আইনজীবী বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ। তিনি এজলাসে বসে বারবার কাশি দিচ্ছিলেন।
শুনানির একপর্যায়ে খালেদা জিয়া বলেন, হাসপাতাল থেকে সরাসরি আমাকে এখানে আনা হয়েছে। হুইল চেয়ারে বসে থাকতে আমার কষ্ট হচ্ছে। তখন আদালত বলেন, ঠিক আছে একটা সময় দিচ্ছি। সে দিন আপনার (মওদুদ আহমদ) ও খালেদা জিয়ার পে শুনানি শেষ করতে হবে। বিচারক ১৪ নভেম্বর শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। এরপর বিচারক এজলাস ক ত্যাগ করেন। তখন খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
সানাউল্লাহ মিয়া পরে সাংবাদিকদের বলেন, আদালতে খালেদা জিয়া অসুস্থ ছিলেন। গাড়ি থেকে নামাতে তাকে অনেক কষ্ট হয়েছে। উনাকে নামাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনকে হিমশিম খেতে হয়েছে। কাশতে কাশতে তিনি আদালতে গিয়েছেন।
সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, খালেদা জিয়া আদালতে বলেছেন, আগের সরকারের প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) যে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে গেছেন, সেটির ধারাবাহিকতা তিনি রা করে নাইকোর সাথে গ্যাস বিক্রির চুক্তির কাজটি এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন মাত্র। কিন্তু নাইকো ইস্যুতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় খারিজ করা হলেও তার (খালেদা জিয়ার) বিরুদ্ধে একই মামলা অব্যাহত রাখা হয়েছে। তিনি কোনো অন্যায় করেননি। এ ছাড়াও মামলার আসামি পরে আইনজীবী হয়েও খালেদা জিয়ার সাথে তারা কথা বলতে পারেননি বলে সানাউল্লাহ মিয়া অভিযোগ করেন।
অন্য দিকে এ মামলায় রাষ্ট্রপরে আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সাংবাদিকদের বলেন, উচ্চতর আদালত এ মামলা থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে অব্যাহতি দিয়েছেন। তাই তিনি এখন আর এ মামলার পার্ট না। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও মামলাটি খারিজের চেষ্টা করেন। কিন্তু মামলার মেরিট থাকায় হাইকোর্ট তা বিচারিক আদালতে পাঠান। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আদালতে যে দাবি করেছেন সেটি সঠিক নয়।
শুনানি : বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বিচারকের উদ্দেশে বলেন, এই মামলাটি দীর্ঘ দিন ধরে বিচারাধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে মামলার ১১ জন আসামির মধ্যে ৯ জনের চার্জ শুনানি শেষ হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ও মওদুদ আহমদের চার্জ শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই মামলা বকশিবাজারের আদালতে চলছিল। আজকেই প্রথম এই মামলাটি এখানে আনা হয়েছে। দু’জনের শুনানি শেষ করে আপনি (বিচারক) পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য রাখতে পারেন। এই মামলার বিষয় নিয়ে উচ্চ আদালতের কোনো স্থগিতাদেশ নেই।
এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘এই আদালতে যে এই মামলার বিচারকাজ চলবে সে বিষয়ে আমরা গেজেটের কপি পেয়েছি গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে। এর আগ পর্যন্ত আমরা অবহিত ছিলাম না। ওই সময় আমার চেম্বারের দরজায় এটি লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপরও আমরা এসেছি। আর এই আদালতের পরিবেশ আপনি (বিচারক) দেখতেই পাচ্ছেন। কোন কারণে এই মামলার বিচারকাজ এখানে আনা হলো তা বোধগম্য নয়।’ একপর্যায়ে শুনানি মুলতবির আরজি জানান তিনি।
এ সময় মওদুদ আহমদ এই মামলার একটি বিষয় উচ্চ আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে উল্লেখ করে শুনানি মুলতবির আরজি জানান।
এ সময় মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, মওদুদ আহমদ দীর্ঘ দিন ধরে আমাদের অপেক্ষায় রেখেছেন। চার্জ শুনানি বাধাগ্রস্ত করার জন্য তিনি এ মামলার সব বিষয় চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো আদেশ আনতে পারেননি। শুনানি শুরুর জন্য আমি আবেদন করছি।
মওদুদ আহমদ বলেন, আমি আজ প্রথম এই আদালতে এলাম। আদালতের পরিবেশ দেখে আমি হতবাক হয়ে গেছি। আপনাকেও (বিচারক) এই পরিবেশে দেখে আমার খারাপ লাগছে।
বিচারক বলেন, এটিতো আরেকটি বিষয়। আপনি পিপির বক্তব্যের জবাব দিন।
মওদুদ আহমদ বলেন, শুনানি করার মতো যথেষ্ট নথিপত্র আমার কাছে নেই। আমি তা পাইনি। যদি কাগজপত্র না আসে তাহলে কিসের ওপর ভিত্তি করে আমি শুনানি করব?
বিচারক বলেন, আপনি এর আগের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে গিয়েছিলেন কোনো স্থগিতাদেশ আনতে পারেননি। আপনার শুনানি মুলতবি করার আবেদন নামঞ্জুর করা হলো। আপনি চার্জ শুনানি শুরু করুন। আপনি যত তাড়াতাড়ি শুরু করবেন বেগম খালেদা জিয়া তত তাড়াতাড়ি যেতে পারবেন।
মওদুদ আহমদ বলেন, খালেদা জিয়া কী পরিমাণ অসুস্থ অবস্থায় এখানে বসে আছেন আপনি তা দেখতেই পাচ্ছেন। তাকে হাসপাতাল থেকে এখানে আনা হয়েছে। হাসপাতালে যথেষ্ট ট্রিটমেন্ট তিনি পাননি। আমরা রাজনৈতিকভাবে এর প্রতিবাদ করব। একপর্যায়ে তিনি এজাহার ও অভিযোগপত্র থেকে বক্তব্য পড়ে শোনান। শুনানিকালে বিচারকের উদ্দেশে তিনি বলেন, মামলায় বলা হয়েছে আমার মতামত ছিল। আমার একটি ল ফার্ম রয়েছে। সেখানে ৫ জন আইনজীবী রয়েছেন। তাদের মধ্যে মতামত হতেই পারে। কিন্তু এই মতামত তো ক্রিমিনাল অফেন্সের মধ্যে পড়ে না। তিনি বলেন, সব বিবেচনা করে আপনি (বিচারক) যদি মনে করেন আমাকে ডিসচার্জ করবেন তাহলে করতে পারেন। আমি তো এখানে আসামি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু আইন আমাকে কিছু অধিকার দিয়েছে।
এর আগে বেলা সোয়া ১১টায় শাহবাগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিশেষ আদালতের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। কারাচত্বরে তার গাড়িবহর পৌঁছায় বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে। এরপর ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।
এ সময় মামলার আসামি সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য আবেদন করেন। আদালত তার আবেদনটি নামঞ্জুর করে শুনানি করতে বলেন। শুনানিতে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ তার বক্তব্য শুরু করে মামলার কার্যক্রম মুলতবি প্রার্থনা করেন। এ সময় তিনি বলেন, আমার বয়স ৮১ বছর। আমি অসুস্থ। আমার যে জুনিয়র, তার নানী মারা গেছেন। এই কারণে তিনি গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন। মামলার সব কাগজপত্র তার কাছেই রয়েছে। ফলে দীর্ঘণ মামলা চালিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। এ কারণে আমি আজকে মামলার মুলতবি চাচ্ছি। পরে আদালত আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত মামলার শুনানি মুলতবি করেন। শুনানির সময় আদালতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বিএনপি চেয়ারপারসনের সাথে দলের মহাসচিব আদালতের ভেতর আধা ঘণ্টা মামলার বিষয়ে কথা বলতে চান উল্লেখ করে সময় প্রার্থনা করেন।
কিন্তু বিচারক এই আবেদন মঞ্জুর করেননি। তিনি বলেন, এই এখতিয়ার আমার নেই। আপনি প্রয়োজনে এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। তিনি এ ব্যাপারে আইনি ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।
এরপর খালেদা জিয়াকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
শুনানি থেকে বেরিয়ে এসে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, আজ মওদুদ আহমদ ও খালেদা জিয়ার বক্তব্য শেষ হবে। কিন্তু তিনি অসুস্থতার কথা বলে সময় প্রার্থনা করেছেন। মওদুদ সাহেব নিজের ব্যাকগ্রাউন্ডে নানা সময় ওই মামলায় সময় নিয়েছেন। আদালত আগামী বুধবার তাদের বক্তব্য শুনবেন। সেদিন আদালত অভিযোগ গঠনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেবেন বলে আমরা আশা করছি।
এ দিকে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পথে পথে ব্যাপক নিরাপত্তা নেয়া হয়। বিভিন্ন বহুতল ভবনের ছাদে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ল করা গেছে। নাজিমুদ্দিন রোডে ছিল বিশেষ নিরাপত্তা চৌকি। কারাগারের ফটকের বেশ আগেই গণমাধ্যমকর্মীদের আটকে দেন নিরাপত্তারীরা।
মেডিক্যাল বোর্ডের ছাড়পত্র ছাড়া খালেদাকে হাজির করা হয়েছে : শুনানি শেষে আদালত থেকে বেরিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন, বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে হাসপাতাল থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। মেডিক্যাল বোর্ডে যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা তাকে ছাড়পত্র দেননি। অন্য একজনের মাধ্যমে ছাড়পত্র লেখানো হয়েছে। মির্জা ফখরুল আরো বলেন, সরকার রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্য এ কাজগুলো করছে। মেডিক্যাল বোর্ডে দায়িত্বপ্রাপ্তরা বলছেন, খালেদা জিয়াকে এ মুহূর্তে ছাড়া ঠিক হবে না। খালেদা জিয়ার মুক্তিও দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব।
হাইকোর্টের এক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর থেকে ৫ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ডের মাধ্যমে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের ক্যাবিন ব্লকের একটি ভিআইপি ক্যাবিনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছিল। ৩৩ দিন চিকিৎসা শেষে গতকাল আবারো তাকে প্রথমে পরিত্যক্ত কারাগারের বিশেষ আদালতে এবং আদালতের কার্যক্রম শেষে আবারো কারাগারে নেয়া হয়।
চিকিৎসা শেষ না করে কারাগারে নেয়ায় হাইকোর্টে আবেদন : বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শেষ না করে কারাগারে নেয়ার বিষয়টি হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চে উপস্থাপন করেছেন তার আইজীবীরা। পরে বিষয়টি নিয়ে লিখিত আবেদন করতে বলেছেন আদালত। দুপুরে খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের সদস্য বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করলে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করতে বলেন। আদালতের নির্দেশের পর খালেদা জিয়ার প থেকে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবীরা।

No comments

Note: Only a member of this blog may post a comment.

Powered by Blogger.